নাটকীয় জয়ে রিয়ালে মরিনহোর নতুন অধ্যায় শুরু। জোসে মরিনহোর রিয়াল মাদ্রিদে দ্বিতীয় মেয়াদের প্রতিযোগিতামূলক অভিযান শুরু হলো নাটকীয় এক জয়ে। ম্যাচের ৯০তম মিনিটে অভিষিক্ত কার্লোস এসপির গোলেই এস্পানিওলকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় সফরকারীরা। নবম মিনিটে আর্দা গুলারের নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম হেডে গোল করেন। তবে ৩০ মিনিটে সমতায় ফেরে এস্পানিওল। গ্রীষ্মের দলবদলে নতুন যোগ দেওয়া কালা, জাভি হার্নান্দেজের কাটব্যাক থেকে কাছ থেকে বল জালে পাঠান।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই ছিল রিয়ালের হাতে। একাধিক আক্রমণ তৈরি করেও নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। বেলিংহামের শক্তিশালী হেড দুর্দান্তভাবে ফিরিয়ে দেন এস্পানিওল গোলরক্ষক মার্কো দিমিত্রোভিচ। ফেদেরিকো ভালভার্দের বাঁকানো শটও পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড়দের মাঠে নামিয়ে আক্রমণে আরও গতি বাড়ান মরিনহো। গ্রীষ্মে দলে যোগ দেওয়া কার্লোস এসপি, মার্ক কুকুরেয়া, ইয়ান দিয়োমান্দে এবং ইংলিশ ফুলব্যাক ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডকে ব্যবহার করেন তিনি।
৯০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল। দিয়োমান্দের পাস থেকে বক্সে কিলিয়ান এমবাপ্পের কাছে বল পৌঁছালে পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপর বলটি এসপির সামনে এলে শান্তভাবে সেটি জালে পাঠান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। ২১ মিলিয়ন পাউন্ডে লেভান্তে থেকে রিয়ালে আসা এসপির অভিষেকই হয়ে উঠল স্মরণীয়।
জয়ের পর স্বস্তি পেয়েছেন মরিনহো। জুলাইয়ে তিন বছরের চুক্তিতে রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়া ৬৩ বছর বয়সী এই কোচ ম্যাচটিতে নতুন নিয়োগ ডেনজেল ডামফ্রিস, ইব্রাহিমা কোনাতে ও বার্নার্দো সিলভাকেও শুরু থেকেই খেলান।
রিয়ালে মরিনহোর আগের মেয়াদ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। তিন বছরের সেই অধ্যায়ে তিনি লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছিলেন। ক্যারিয়ারে ২৬টি বড় শিরোপা জেতা মরিনহোর সামনে এবার রিয়ালকে আবার ট্রফির পথে ফেরানোর চ্যালেঞ্জ।
রিয়াল গত দুই মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি। এবার নতুন কোচ ও নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে শুরুতেই নাটকীয় জয় পেল স্প্যানিশ জায়ান্টরা।









