দেশে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা দ্রুত ডিজিটাল হওয়ায় নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণের পরিমাণও বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস ও সাইবার হামলার ঝুঁকি নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করলেই ডিজিটাল সেবা নিরাপদ হয় না। তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের প্রতিটি পর্যায়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পরিচয় যাচাই, তথ্য সংকেতায়ন, নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ এবং অনলাইন কার্যক্রমের রেকর্ড সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো সরকারি বা বেসরকারি তথ্যভাণ্ডার চালুর পর নিরাপত্তা পরীক্ষা করার পরিবর্তে সফটওয়্যার তৈরির শুরু থেকেই সাইবার নিরাপত্তাকে নকশার অংশ করা জরুরি।
এদিকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মানবপাচারের মতো অপরাধ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে মানবপাচার মোকাবিলায় একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের ডিজিটাল সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তিনির্ভর সেবা যত বাড়বে, নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষার বিষয়টিও তত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তাই ডিজিটাল উন্নয়নের পাশাপাশি শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।









