জিদানের অভিষেকে জয়, চোটে আন্তর্জাতিক উইন্ডো শেষ এমবাপ্পের। জিনেদিন জিদানের অধীনে প্রথম ম্যাচেই জয় পেয়েছে ফ্রান্স। নেশন্স লিগে তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে জয়ের আনন্দ ম্লান হয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পের চোটে। হাঁটুর চোটের কারণে আন্তর্জাতিক উইন্ডোর বাকি ম্যাচগুলোতে খেলতে পারবেন না রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা।
তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে ফ্রান্সের জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন এমবাপ্পে। মাইকেল অলিসের পাস থেকে গোল করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের গোলসংখ্যা ৬৭-তে নিয়ে গেছেন তিনি। এর মাধ্যমে ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন এমবাপ্পে।
তবে গোল করার পরপরই খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায় তাঁকে। শেষ পর্যন্ত পাঁচ মিনিট পর তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন জিদান। ম্যাচ শেষে এমবাপ্পের চোট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ফ্রান্সের নতুন কোচ।
জিদান বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিষয়টি ভালো মনে হচ্ছে না। আমার মনে হয়, তাকে ফিরে যেতে হবে। আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। তার হাঁটু ফুলে গেছে। বিষয়টি উৎসাহব্যঞ্জক নয়।’
চোটের কারণে এমবাপ্পের বাকি আন্তর্জাতিক ম্যাচে না খেলার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তাঁর হাঁটুর অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর পরবর্তী চিকিৎসা ও বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে তুরস্কের বিপক্ষে শেষ দিকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। বক্সের বাইরে হাতে বল ধরায় লাল কার্ড দেখেন গোলরক্ষক উগুরজান চাকির। ফলে ম্যাচের শেষ সময়টা একজন কম নিয়ে খেলতে হয়েছে তুরস্ককে। তবে ফ্রান্স ব্যবধান বাড়াতে পারেনি।
বিশ্বকাপের পর দিদিয়ের দেশমের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ফ্রান্সের দায়িত্ব নেন জিদান। খেলোয়াড় হিসেবে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতানো সাবেক এই তারকার জন্য জাতীয় দলের কোচ হিসেবে ম্যাচটি ছিল নতুন অধ্যায়ের শুরু।
রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়া সিনিয়র পর্যায়ে অন্য কোনো দলের কোচ হিসেবে এটাই জিদানের প্রথম দায়িত্ব। স্প্যানিশ ক্লাবটির কোচ হিসেবে দুই মেয়াদে তিনি তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও দুটি লা লিগা শিরোপা জিতেছেন। প্রথম মেয়াদ ছিল ২০১৬ থেকে ২০১৮, দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত।
তবে অভিষেকেই জয় পেলেও এমবাপ্পের চোট এখন জিদানের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।









