হলান্ডের গোলেও পর্তুগালের কাছে হারল নরওয়ে। আর্লিং হলান্ডের গোলেও পর্তুগালের কাছে হার এড়াতে পারেনি নরওয়ে। নেশনস লিগে ২-১ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে পর্তুগাল।
ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। জোয়াও ফেলিক্স গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। চলতি নেশনস লিগে এটি ছিল তাঁর টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল। ফলে শুরুতেই চাপে পড়ে নরওয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সমতা ফেরায় নরওয়ে। কাছ থেকে বল জালে পাঠান হলান্ড। জাতীয় দলের হয়ে এটি ছিল তাঁর ৬৫তম গোল। নেশনস লিগে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ২২। এই গোলের মাধ্যমে প্রতিযোগিতাটির সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের রেকর্ড আরও শক্ত করেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড।
তবে হলান্ডের গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি নরওয়ের। মাত্র তিন মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় পর্তুগাল।
নরওয়ের গোলরক্ষক অরজান নিয়ালান্ডের বড় ভুলের সুযোগ নেয় পর্তুগাল। নিজের বক্সের কাছ থেকে বল বাড়াতে গিয়ে সরাসরি বল তুলে দেন গনসালো রামোসের পায়ে। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে নিখুঁত চিপে বল জালে পাঠান রামোস। ফলে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় পর্তুগাল।
এরপর ব্যবধান বাড়ানোর আরও কয়েকটি সুযোগ পায় পর্তুগাল। রাফায়েল লেয়াওয়ের শট ডিফ্লেক্ট হয়ে ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে রামোস আবারও গোলের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর শট বাইরে চলে যায়।
এরপর আবারও গোলের সুযোগ তৈরি হয় পর্তুগালের সামনে। নিয়ালান্ডের আরেকটি ভুলের পর রামোস বল জালে পাঠিয়েছিলেন। তবে ভিডিও সহকারী রেফারি বা ভিএআর পরীক্ষা করে গোলটি বাতিল করে দেয়। অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।
শেষ পর্যন্ত আর গোল না হওয়ায় ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। ফলে এবারের নেশনস লিগে দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই জয় পেল তারা।
এই ম্যাচে পর্তুগালের হয়ে খেলেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা পুরো ম্যাচ বেঞ্চে ছিলেন। ফলে ক্যারিয়ারে ১ হাজার গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষা আরও বাড়ল। এই মাইলফলক থেকে এখনো ২১ গোল দূরে রয়েছেন তিনি।
পর্তুগালের আরেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ব্রুনো ফার্নান্দেসও ছিলেন না। চোটের কারণে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডারকে দলে রাখা হয়নি।
অন্যদিকে হলান্ডের ৬৫তম আন্তর্জাতিক গোলও নরওয়েকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। পর্তুগালের বিপক্ষে এই হারের ফলে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট হারাল নরওয়ে।








